আহা, হাঙ্গরেরা! কেন যে মানুষ নয় তারা
আহা, হাঙ্গরেরা! কেন যে মানুষ নয় তারা সপ্তর্ষি বিশ্বাস একদা জনৈক মিস্টার কেউনের কে প্রশ্ন করে বসলো তার বাড়ির মালকিন "মহাশয়, হাঙ্গরেরা যদি হইত মনুষ্য, তবে উহারা কি, আপনার কি ধারণা, যে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাছ-মছলী দিগে করিত স্নেহ, প্রীতি? কেউনে উত্তরে আরম্ভ করল বলতেঃ অবশ্য করিত। নিশ্চিত করিত। আলবাত করিত। হাঙ্গরেরা মনুষ্য হইলে, ক্ষুদ্র মাছ-মছলিদের নিমিত্ত, সমুদ্রগর্ভে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলিশান মকান দিতো নির্মাইয়া। সেই সকল মকানে নিয়মিত সাপ্লাই দিত রোটি আর কপড়ার। এমনকি স্বচ্ছ ভারতও বানাইত, গড়াইত ল্যাট্রিন। কোনো ক্ষুদ্র মাছ-মছলি'র কোনো আন্ডাবাচ্চা আহত হলে তৎক্ষণাত আসিত এম্বুলেন্স, আরম্ভ হইত চিকিচ্ছা কেননা হাঙ্গরেরা চায়না যে ক্ষুদ্র মাছ-মছলিরা হোক অকালে অক্কাপ্রাপ্ত, হোক রুগ্ন, বিষণ্ণ। তাহারা অবশ্যই সুব্যবস্থা করিত নানাবিধ জলোৎসবের যাহাতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাছ-মছলিদের মর্মে স্ফুর্তি থাকে। তবে দুষ্টেরা এ'ও বলিত, যে, অকালে মাছেরা মরিলে হাঙ্গরেরা বড় মাছ পাইবে কোথায়? খাইবে কিভাবে? বড়মাছের টেইস্ট তো আর পোনা রুই ইয়ে নাই। দুষ্টেরা আরোও বলিত। বলিত অসুস্থ মছলি, বিষন্ন মছলি ই...